এবার অর্থঋণের দুই মামলায় সাহেদকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ
করোনার নমুনা পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনায় আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে এক কোটি ৫৬ লাখ ৮৬ হাজার ৮৯০ টাকার দুটি অর্থঋণ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার অর্থঋণ আদালত-৪-এর বিচারক মোশাররফ হোসেন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সাহেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে প্রায় ৩৬টি মামলা রয়েছে। সোমবার এনআরবি ব্যাংকের দায়ের করা দুটি অর্থঋণ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে দুই মামলাতেই গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন। আরও পড়ুন চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্টের সাহেদ কারাগারে আইনজীবী জানান, প্রথম মামলায় এনআরবি ব্যাংকের দাবি ৫ লাখ ৫ হাজার ৫২৫ টাকা। মামলাটি ২০২১ সালে দায়ের করা হয়। সে সময় সাহেদ ২০২০ সালে দায়ের হওয়া অন্য মামলায় কারাগারে ছিলেন। এ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালত প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট (পিডব্লিউ) জারি করেন। তিনি জানান, অন্য মামলায় এনআরবি ব্যাংক ১ কোটি ৫১ লাখ ৮১ হাজার ৩৬৫ টাকা দাবি করেছে। এ মামলাতেও সোমবার তাকে গ্
করোনার নমুনা পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনায় আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে এক কোটি ৫৬ লাখ ৮৬ হাজার ৮৯০ টাকার দুটি অর্থঋণ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার অর্থঋণ আদালত-৪-এর বিচারক মোশাররফ হোসেন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সাহেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে প্রায় ৩৬টি মামলা রয়েছে। সোমবার এনআরবি ব্যাংকের দায়ের করা দুটি অর্থঋণ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে দুই মামলাতেই গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।
আইনজীবী জানান, প্রথম মামলায় এনআরবি ব্যাংকের দাবি ৫ লাখ ৫ হাজার ৫২৫ টাকা। মামলাটি ২০২১ সালে দায়ের করা হয়। সে সময় সাহেদ ২০২০ সালে দায়ের হওয়া অন্য মামলায় কারাগারে ছিলেন। এ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালত প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট (পিডব্লিউ) জারি করেন।
তিনি জানান, অন্য মামলায় এনআরবি ব্যাংক ১ কোটি ৫১ লাখ ৮১ হাজার ৩৬৫ টাকা দাবি করেছে। এ মামলাতেও সোমবার তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। দুটি মামলাতেই বর্তমানে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
গত ২০ জুলাই মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের দায়ের করা ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় সাহেদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-৫ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সাহেদের আরেক আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন তখন জানিয়েছিলেন, ওই চেক ডিজঅনার মামলায় সাহেদকে এক বছরের কারাদণ্ড ও একই পরিমাণ অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। মামলাটি বিচারাধীন অবস্থায় তিনি কারাগারে থাকলেও তাকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়নি। পরে ২০২৫ সালের ৪ মে রায় ঘোষণা করা হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলেও জানান তিনি।

ফের গ্রেফতার রিজেন্টের সাহেদ
২০২০ সালের জুলাইয়ে রাজধানীর উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে করোনার নমুনা পরীক্ষার ভুয়া সনদ ও জালিয়াতির প্রমাণ জব্দ করে র্যাব। এ ঘটনায় সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরে সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তীতে অস্ত্র, প্রতারণা, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাহেদের বিরুদ্ধে ৩৫টির বেশি মামলা হয়। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের এক মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন মামলায় জামিন পেয়ে প্রায় চার বছর কারাভোগ শেষে ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর কারামুক্ত হন।
এমডিএএ/এমকেআর
What's Your Reaction?
