কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর মতলব-গৌরিপুর পেন্নাই সড়কে সংস্কারকাজ শুরু

দৈনিক কালবেলায় মতলব-গৌরিপুর পেন্নাই সড়কের বেহাল অবস্থার সংবাদ প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সংস্কারকাজ শুরু করেছে চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। আপাতত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করায় স্বস্তি ফিরেছে পথচারী, যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। চাঁদপুরের মতলব-গৌরিপুর পেন্নাই সড়কের নারায়ণপুর বাজার এলাকায় সড়কের পিচ উঠে অসংখ্য বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। এসব গর্তের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছিল। ভাঙাচোরা সড়ক দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনের পর দিন চলাচল করতে হচ্ছিল যাত্রী ও চালকদের। স্থানীয়দের কাছে সড়কটি যেন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছিল। বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে ‘সড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন’ শিরোনামে কালবেলা অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চলাচলের সুবিধার্থে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে দ্রুত মেরামতকাজ শুরু করে চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ।  স্থানীয়রা জানান, নারায়ণপুর সাহাবাড়ি মোড় ও নারায়ণপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকাজুড়ে কয়েকটি স্থানে ছোট-বড় গর্ত তৈরি হয়েছিল। মাঝেমধ্যে ইট-সুরকি ফেলে মেরামত করা হলেও বৃষ্টির পর গর্তে পানি জমে ইট

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর মতলব-গৌরিপুর পেন্নাই সড়কে সংস্কারকাজ শুরু

দৈনিক কালবেলায় মতলব-গৌরিপুর পেন্নাই সড়কের বেহাল অবস্থার সংবাদ প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সংস্কারকাজ শুরু করেছে চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। আপাতত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করায় স্বস্তি ফিরেছে পথচারী, যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।

চাঁদপুরের মতলব-গৌরিপুর পেন্নাই সড়কের নারায়ণপুর বাজার এলাকায় সড়কের পিচ উঠে অসংখ্য বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। এসব গর্তের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছিল। ভাঙাচোরা সড়ক দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনের পর দিন চলাচল করতে হচ্ছিল যাত্রী ও চালকদের। স্থানীয়দের কাছে সড়কটি যেন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছিল।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে ‘সড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন’ শিরোনামে কালবেলা অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চলাচলের সুবিধার্থে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে দ্রুত মেরামতকাজ শুরু করে চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ। 

স্থানীয়রা জানান, নারায়ণপুর সাহাবাড়ি মোড় ও নারায়ণপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকাজুড়ে কয়েকটি স্থানে ছোট-বড় গর্ত তৈরি হয়েছিল। মাঝেমধ্যে ইট-সুরকি ফেলে মেরামত করা হলেও বৃষ্টির পর গর্তে পানি জমে ইট-সুরকি সরে গিয়ে আবারও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হতো। ঝুঁকি নিয়েই বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, প্রাইভেটকার, সিএনজি অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করত। যানবাহনের ধীরগতির কারণে প্রায়ই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হতো। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো এবং প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটত।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সড়কটি সংস্কার করায় আপাতত দুর্ভোগ অনেকটাই কমেছে। এজন্য তারা সড়ক ও জনপথ বিভাগকে ধন্যবাদ জানান। তবে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানের জন্য দ্রুত স্থায়ী সংস্কারের দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইউনুস আলী কালবেলাকে বলেন, চলাচলের সুবিধার্থে আপাতত সড়কটি মেরামত করা হয়েছে। টেকসই সংস্কারের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই স্থায়ী সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow