কুবিসাসের ১ যুগ পূর্তি ও দায়িত্ব হস্তান্তর সম্পন্ন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (কুবিসাস) ১ যুগ পূর্তি উদ্যাপন ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান-২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর সংগঠনের এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে কেক কাটা হয়।
অনুষ্ঠানে কুবিসাসের বিদায়ী সভাপতি সাঈদ হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কুবিসাসের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম। কুবিসাসের দপ্তর সম্পাদক চৌধুরী মাসাবিহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক ও নিবন্ধিত সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, সাংবাদিকতা সমাজের আয়নার মতো। প্রতিবিম্ব যত বাস্তবসম্মত হবে, সাংবাদিকতা তত স্বচ্ছ হবে
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (কুবিসাস) ১ যুগ পূর্তি উদ্যাপন ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান-২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর সংগঠনের এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে কেক কাটা হয়।
অনুষ্ঠানে কুবিসাসের বিদায়ী সভাপতি সাঈদ হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কুবিসাসের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম। কুবিসাসের দপ্তর সম্পাদক চৌধুরী মাসাবিহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক ও নিবন্ধিত সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, সাংবাদিকতা সমাজের আয়নার মতো। প্রতিবিম্ব যত বাস্তবসম্মত হবে, সাংবাদিকতা তত স্বচ্ছ হবে। সাংবাদিকদের কোনো দল নেই, তারা সবসময় নির্যাতিত ও মজলুমের পক্ষে কথা বলে।
তিনি আরও বলেন, ইতিবাচক সংবাদ প্রচারের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেড়েছে। গত দেড় বছরে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের অগ্রগতি ও স্কলারশিপ চালুর বিষয়টি তুলে ধরে তিনি সবাইকে সত্যের পথে থেকে কাজ করার আহ্বান জানান।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, বয়সে নবীন হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা থেমে নেই। সৎ সাহস নিয়ে সত্য তুলে ধরাই সাংবাদিকতার মূল শক্তি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংকট ও আন্দোলনে সাংবাদিকদের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসাও করেন তিনি।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম স্মৃতিচারণ করে বলেন, একসময় সংবাদ কভার করতে শহর থেকে সাংবাদিক আনতে হতো। বর্তমানে সাংবাদিকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে মনে রাখতে হবে, সাংবাদিকতার আগে তোমরা শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব তোমাদেরও।
বিদায়ী সভাপতি সাঈদ হাসান তার বক্তব্যে বলেন, নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও কুবিসাস সত্য, ন্যায় ও দায়িত্বশীলতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন ও সাবেক নেতৃবৃন্দের অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন এবং নতুন নেতৃত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন।