কোরবানির ঈদে ৪ লাখ কোটি টাকার বাণিজ্যের আভাস দোকান মালিক সমিতির
আসন্ন কোরবানির পশু, চামড়া, পোশাক ও ফ্যাশন পণ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এবার তিন থেকে চার লাখ কোটি টাকার বেচাকেনা হতে পারে বলে ধারণা করছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। শুক্রবার (২২ মে) বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ বাজার সম্পর্কে জাগো নিউজকে এমন আভাস দিয়েছেন। মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে মোট অর্থনৈতিক লেনদেন সাধারণত দেশের সবচেয়ে বড় মৌসুমি বাজারগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়। ২০২৬ সালে মূল্যস্ফীতি, পশুর উচ্চ সরবরাহ, পোশাক ফ্যাশন, কসমেটিকস, ইলেকট্রনিক্স, পরিবহন ও খাদ্যপণ্যের চাহিদা বিবেচনায় অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, এবারের কোরবানির ঈদে সারাদেশে মোট বেচাকেনা প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোটি থেকে চার লাখ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এর মধ্যে শুধু পোশাক, জুতা, কসমেটিকস ও ফ্যাশন খাতেই প্রায় ৮০ হাজার কোটি থেকে এক লাখ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন হতে পারে। তিনি বলেন, কোরবানির পশুর বাজারই সবচেয়ে বড় অংশ। ২০২৬ সালে দেশে প্রায় এক কোটি ২৩ লাখের বেশি পশু প্রস্তুত আছে এবং সম্ভাব্য চাহিদা প্রায় এক কোটি এক লাখ। যদি
আসন্ন কোরবানির পশু, চামড়া, পোশাক ও ফ্যাশন পণ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এবার তিন থেকে চার লাখ কোটি টাকার বেচাকেনা হতে পারে বলে ধারণা করছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। শুক্রবার (২২ মে) বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ বাজার সম্পর্কে জাগো নিউজকে এমন আভাস দিয়েছেন।
মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে মোট অর্থনৈতিক লেনদেন সাধারণত দেশের সবচেয়ে বড় মৌসুমি বাজারগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়। ২০২৬ সালে মূল্যস্ফীতি, পশুর উচ্চ সরবরাহ, পোশাক ফ্যাশন, কসমেটিকস, ইলেকট্রনিক্স, পরিবহন ও খাদ্যপণ্যের চাহিদা বিবেচনায় অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, এবারের কোরবানির ঈদে সারাদেশে মোট বেচাকেনা প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোটি থেকে চার লাখ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এর মধ্যে শুধু পোশাক, জুতা, কসমেটিকস ও ফ্যাশন খাতেই প্রায় ৮০ হাজার কোটি থেকে এক লাখ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন হতে পারে।
তিনি বলেন, কোরবানির পশুর বাজারই সবচেয়ে বড় অংশ। ২০২৬ সালে দেশে প্রায় এক কোটি ২৩ লাখের বেশি পশু প্রস্তুত আছে এবং সম্ভাব্য চাহিদা প্রায় এক কোটি এক লাখ। যদি গড়ে প্রতি পশুর বিক্রয়মূল্য ৭০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা ধরা হয়, তাহলে শুধু পশু বেচাকেনাই প্রায় এক লাখ কোটি টাকার বেশি হতে পারে। এর সঙ্গে চামড়া, মসলা, পরিবহন, ফ্রিজিং, রেস্টুরেন্ট, কুরিয়ার ও অনলাইন কমার্স যুক্ত হলে সামগ্রিক ঈদ অর্থনীতি আরও বড় হয়।
দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির এ নেতা বলেন, ঢাকা মহানগরীর ক্ষেত্রে সাধারণত দেশের মোট ঈদ বাণিজ্যের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ কেন্দ্রীভূত হয়। সেই হিসাবে ২০২৬ সালের কোরবানির ঈদে শুধু ঢাকা মহানগরীতেই আনুমানিক এক লাখ কোটি থেকে এক লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হতে পারে বলে ধারণা করা যায়।
সংগঠনটি বলছে, পশুর হাট ও কোরবানি সংশ্লিষ্ট খাতে ৪০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা; পোশাক ও ফ্যাশন খাতে ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা; খাদ্য, মসলা, সুপারশপ, রেস্টুরেন্ট খাতে ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা; পরিবহন, কুরিয়ার, ই-কমার্স, অন্যান্য সেবা খাতে ১০ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা এবং দা-ছুরি-চাপাতি-বঁটি বাজারে প্রায় দুই থেকে তিন হাজার কোটি টাকার লেনদেন হতে পারে।
তবে সংগঠনটি বলছে, এগুলো চূড়ান্ত পরিসংখ্যান নয়, বরং সাম্প্রতিক বাজার প্রবণতা, পূর্ববর্তী ঈদ অর্থনীতি এবং ২০২৬ সালের পশু সরবরাহ ও খুচরা বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে অর্থনৈতিক অনুমান।
ইএইচটি/কেএইচকে
What's Your Reaction?