গ্র্যামি থেকে সরে দাঁড়াল বিটিএস, জমা দিচ্ছে না গান
বিশ্বখ্যাত কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস আগামী বছরের ৬৯তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে নিজেদের কোনো গান জমা দেবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আয়োজনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত ব্যান্ডটি নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম কোরিয়া হেরাল্ড এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বুধবার প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বিটিএস জানায়, ‘এ বছর আমরা গ্র্যামির জন্য আমাদের কোনো কাজ জমা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অঞ্চল বা ভাষার সীমা ছাড়িয়ে সংগীত যেন তার নিজস্ব গুণে মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং ভালোবাসা পায়- এটাই আমাদের আশা।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আর্মি এবং যারা সব সময় আমাদের পাশে থেকেছেন, তাদের প্রত্যেককে আন্তরিক ধন্যবাদ।’ বিটিএসের এই সিদ্ধান্ত ভক্ত ও সংগীতবিশ্লেষকদের অনেককেই বিস্মিত করেছে। কারণ, দীর্ঘদিন ধরেই গ্র্যামি জয়কে ব্যান্ডটির অন্যতম বড় লক্ষ্য হিসেবে দেখা হতো। ব্যান্ডের সদস্যরাও বিভিন্ন সময়ে সাক্ষাৎকারে গ্র্যামি পুরস্কার জয়ের স্বপ্নের কথা প্রকাশ করেছিলেন। এরই মধ্যে গত বছরের গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে কে-পপ ডেমন হান্টার্স-এর থিম সং ‘গোল্ডেন’ ‘সে
বিশ্বখ্যাত কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস আগামী বছরের ৬৯তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে নিজেদের কোনো গান জমা দেবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আয়োজনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত ব্যান্ডটি নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম কোরিয়া হেরাল্ড এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
বুধবার প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বিটিএস জানায়, ‘এ বছর আমরা গ্র্যামির জন্য আমাদের কোনো কাজ জমা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অঞ্চল বা ভাষার সীমা ছাড়িয়ে সংগীত যেন তার নিজস্ব গুণে মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং ভালোবাসা পায়- এটাই আমাদের আশা।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আর্মি এবং যারা সব সময় আমাদের পাশে থেকেছেন, তাদের প্রত্যেককে আন্তরিক ধন্যবাদ।’
বিটিএসের এই সিদ্ধান্ত ভক্ত ও সংগীতবিশ্লেষকদের অনেককেই বিস্মিত করেছে। কারণ, দীর্ঘদিন ধরেই গ্র্যামি জয়কে ব্যান্ডটির অন্যতম বড় লক্ষ্য হিসেবে দেখা হতো। ব্যান্ডের সদস্যরাও বিভিন্ন সময়ে সাক্ষাৎকারে গ্র্যামি পুরস্কার জয়ের স্বপ্নের কথা প্রকাশ করেছিলেন।
এরই মধ্যে গত বছরের গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে কে-পপ ডেমন হান্টার্স-এর থিম সং ‘গোল্ডেন’ ‘সেরা ভিজ্যুয়াল মিডিয়ার জন্য লেখা গান’ বিভাগে পুরস্কার জিতে ইতিহাস গড়ে। এটিই ছিল গ্র্যামিতে পুরস্কারজয়ী প্রথম কে-পপ সংশ্লিষ্ট গান।
বিটিএসের এই ঘোষণা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন কয়েক সপ্তাহ আগে রেকর্ডিং একাডেমি ২০২৭ সালের গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের জন্য পাঁচটি নতুন বিভাগ যুক্ত করার ঘোষণা দেয়। এর মধ্যে ‘এশিয়ান পপ মিউজিক পারফরম্যান্স’ নামে একটি নতুন বিভাগও রয়েছে। সংস্থাটির ভাষ্য, বিশ্বজুড়ে এশীয় পপ সংগীতের শিল্পমান ও ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে স্বীকৃতি দিতেই এই বিভাগ চালু করা হয়েছে।
তবে নতুন এই বিভাগকে ঘিরে দক্ষিণ কোরিয়ার সংগীত অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সমালোচকদের একাংশের প্রশ্ন, মূলধারার বিভাগে সমানভাবে প্রতিযোগিতার সুযোগ দেওয়ার পরিবর্তে এশীয় পপকে আলাদা বিভাগে রাখার সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক। অন্যদিকে অনেকের মতে, বিশ্বসংগীতে এশীয় পপের বর্তমান অবস্থান বিবেচনায় এমন স্বীকৃতি আরও আগেই দেওয়া উচিত ছিল।
What's Your Reaction?