ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা কমাতে ফের সিনেটে উদ্যোগ

মার্কিন সিনেট এমন একটি ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলেশন’ এগিয়ে নিয়েছে, যা পাস হলে ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারবেন না। প্রস্তাবটি এগিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াগত ভোটে ৫০-৪৭ ব্যবধানে অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটরও ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দেন, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য বিরল রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া এবং ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সংঘাত না থামায় রিপাবলিকানদের একটি অংশ ক্রমেই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছে। ভোটের আগে ডেমোক্র্যাট সিনেট নেতা চাক শুমার বলেন, এই প্রেসিডেন্ট যেন লোড করা বন্দুক হাতে থাকা এক শিশুর মতো আচরণ করছেন। তিনি আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত থেকে সেনা প্রত্যাহারের পক্ষে আমাদের প্রস্তাব সমর্থনের এটাই সঠিক সময়। এই ভোটকে কংগ্রেসের সাংবিধানিক ক্ষমতার পক্ষে একটি জয় হিসেবেও দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, যুদ্ধ ঘোষণা ও সেনা পাঠানোর ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে থাকার কথা। তবে এটি এখনো কেবল প্রাথমিক বা প্রক্রিয়াগত ভোট। প্রস্তাবটি কার্যকর হতে হলে আরও কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে।

ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা কমাতে ফের সিনেটে উদ্যোগ

মার্কিন সিনেট এমন একটি ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলেশন’ এগিয়ে নিয়েছে, যা পাস হলে ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারবেন না।

প্রস্তাবটি এগিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াগত ভোটে ৫০-৪৭ ব্যবধানে অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটরও ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দেন, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য বিরল রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া এবং ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সংঘাত না থামায় রিপাবলিকানদের একটি অংশ ক্রমেই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছে।

ভোটের আগে ডেমোক্র্যাট সিনেট নেতা চাক শুমার বলেন, এই প্রেসিডেন্ট যেন লোড করা বন্দুক হাতে থাকা এক শিশুর মতো আচরণ করছেন।

তিনি আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত থেকে সেনা প্রত্যাহারের পক্ষে আমাদের প্রস্তাব সমর্থনের এটাই সঠিক সময়।

এই ভোটকে কংগ্রেসের সাংবিধানিক ক্ষমতার পক্ষে একটি জয় হিসেবেও দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, যুদ্ধ ঘোষণা ও সেনা পাঠানোর ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে থাকার কথা।

তবে এটি এখনো কেবল প্রাথমিক বা প্রক্রিয়াগত ভোট। প্রস্তাবটি কার্যকর হতে হলে আরও কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে।

১০০ সদস্যের সিনেটে চূড়ান্ত ভোটে পাস হলেও এটি রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদে অনুমোদন পেতে হবে। এরপর ট্রাম্প ভেটো দিলে সেই ভেটো বাতিল করতে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ—উভয় কক্ষেই দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন হবে।

এর আগে চলতি বছরে একই ধরনের সাতটি প্রস্তাব সিনেটে আটকে দিয়েছিল ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানরা। প্রতিনিধি পরিষদেও তিনটি প্রস্তাব অল্প ব্যবধানে নাকচ হয়।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow