নিখোঁজের ৬ দিন পর বাগানে মিলল শিশুর মরদেহ
ফরিদপুরে নিখোঁজের ছয়দিন পর আইরিন আক্তার (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার বাখুন্ডা পশ্চিম পাড়া এলাকার একটি কলাবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানান, সকালে ওই কলাবাগানে কাজ করতে গিয়ে তারা তীব্র দুর্গন্ধ পান। পরে তল্লাশি চালিয়ে একটি মরদেহ দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজনকে খবর দেন। খবর পেয়ে নিখোঁজ শিশুটির স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে পরনের পোশাক দেখে আইরিনকে শনাক্ত করেন। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ এপ্রিল সদর উপজেলার পূর্ব বাখুন্ডা সংলগ্ন আদর্শ গ্রাম এলাকা থেকে আইরিন নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় পরদিন ২৫ এপ্রিল তার মা তাহমিনা বেগম কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। খবর পেয়ে কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ইতোমধ্যে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন এবং কোতয়ালী থানার ভারপ্
ফরিদপুরে নিখোঁজের ছয়দিন পর আইরিন আক্তার (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার বাখুন্ডা পশ্চিম পাড়া এলাকার একটি কলাবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, সকালে ওই কলাবাগানে কাজ করতে গিয়ে তারা তীব্র দুর্গন্ধ পান। পরে তল্লাশি চালিয়ে একটি মরদেহ দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজনকে খবর দেন। খবর পেয়ে নিখোঁজ শিশুটির স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে পরনের পোশাক দেখে আইরিনকে শনাক্ত করেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ এপ্রিল সদর উপজেলার পূর্ব বাখুন্ডা সংলগ্ন আদর্শ গ্রাম এলাকা থেকে আইরিন নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় পরদিন ২৫ এপ্রিল তার মা তাহমিনা বেগম কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। খবর পেয়ে কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ইতোমধ্যে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন এবং কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান।
ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
What's Your Reaction?