নিজ বাসা থেকে কলেজ শিক্ষকের গলিত মরদেহ উদ্ধার
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাজারের একটি ভাড়া বাসা থেকে সাইফুল ইসলাম নামে এক কলেজ শিক্ষকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাজার সংলগ্ন বাসা থেকে বাঙ্গরা বাজার থানা মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সাইফুল ইসলাম জামালপুর সদরের রশিদপুর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের মোবারক আলীর ছেলে। তিনি গত তিন বছর ধরে স্থানীয় অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজের ইংরেজি বিভাগের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কলেজ সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম গত ৫ মার্চ সর্বশেষ কলেজে ক্লাস নিয়েছিলেন। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজের অধ্যক্ষ ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী জানান, সাইফুল ইসলাম মাঝে মাঝেই কাউকে না জানিয়ে কলেজে অনুপস্থিত থাকতেন, তাই বিষয়টি শুরুতে কারো নজরে আসেনি। পার্শ্ববর্তী ভাড়াটিয়ারা জানান, গত রোববার কিছু শিক্ষার্থী ওই শিক্ষকের বাসায় এসে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া না পেয়ে ফিরে যায়। শুক্রবার সকালে এক দোকানদার পাশের গুদামে মালামাল নিতে এসে উৎকট গন্ধ পান। বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানালে তিনি পুলিশে খবর দেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বাঙ্গরা বাজ
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাজারের একটি ভাড়া বাসা থেকে সাইফুল ইসলাম নামে এক কলেজ শিক্ষকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাজার সংলগ্ন বাসা থেকে বাঙ্গরা বাজার থানা মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত সাইফুল ইসলাম জামালপুর সদরের রশিদপুর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের মোবারক আলীর ছেলে। তিনি গত তিন বছর ধরে স্থানীয় অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজের ইংরেজি বিভাগের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম গত ৫ মার্চ সর্বশেষ কলেজে ক্লাস নিয়েছিলেন। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজের অধ্যক্ষ ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী জানান, সাইফুল ইসলাম মাঝে মাঝেই কাউকে না জানিয়ে কলেজে অনুপস্থিত থাকতেন, তাই বিষয়টি শুরুতে কারো নজরে আসেনি।
পার্শ্ববর্তী ভাড়াটিয়ারা জানান, গত রোববার কিছু শিক্ষার্থী ওই শিক্ষকের বাসায় এসে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া না পেয়ে ফিরে যায়। শুক্রবার সকালে এক দোকানদার পাশের গুদামে মালামাল নিতে এসে উৎকট গন্ধ পান। বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানালে তিনি পুলিশে খবর দেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত বাঙ্গরা বাজার থানার এসআই রিয়াজুল মোস্তফা জানান, খবর পেয়ে ঘরের দরজার লক ভেঙে মেঝেতে ওই শিক্ষকের গলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত ৭-৮ দিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল কাদের খান বলেন, ঘরের দরজা ভেতর থেকে লাগানো ছিল। আমরা তালা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করেছি। মরদেহে পচন ধরায় মৃত্যুর সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
What's Your Reaction?