নীলফামারীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ধস, পাঠদান ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে শুক্রবার রাতের ভারী বর্ষণে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ও টয়লেট ধসে পড়েছে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটার শঙ্কা তৈরি করেছে।নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার ১ নং উত্তর দুরাকুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১১৬ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের পাঠদানের জন্য তিনটি শ্রেণিকক্ষ থাকলেও, এর মধ্যে একটি কক্ষ ধসে পড়ায় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার রাতের ভারী বর্ষণে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদানকৃত শ্রেণিকক্ষের একটি কর্নার ধসে পড়েছে। কক্ষ সংলগ্ন টয়লেটটিও হুমকির মুখে, যা যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে বলে এলাকাবাসী আশঙ্কা করছেন।স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাতের ভারী বর্ষণে ভবনের কক্ষ ও টয়লেট ধসে পড়েছে। এতে শিশুদের ক্লাস গ্রহণ কষ্টকর হবে। তারা শিশুদের সুষ্ঠু পড়াশোনার জন্য ভবনটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। বিদ্যালয়ের জমিদাতা রেজাউল আলম স্বপন বলেন, বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির কক্ষটির একাংশ ও শিশুদের ব্যবহারের টয়লেট ধসে পড়েছে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা

নীলফামারীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ধস, পাঠদান ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে শুক্রবার রাতের ভারী বর্ষণে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ও টয়লেট ধসে পড়েছে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটার শঙ্কা তৈরি করেছে।

নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার ১ নং উত্তর দুরাকুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১১৬ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের পাঠদানের জন্য তিনটি শ্রেণিকক্ষ থাকলেও, এর মধ্যে একটি কক্ষ ধসে পড়ায় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার রাতের ভারী বর্ষণে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদানকৃত শ্রেণিকক্ষের একটি কর্নার ধসে পড়েছে। কক্ষ সংলগ্ন টয়লেটটিও হুমকির মুখে, যা যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে বলে এলাকাবাসী আশঙ্কা করছেন।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাতের ভারী বর্ষণে ভবনের কক্ষ ও টয়লেট ধসে পড়েছে। এতে শিশুদের ক্লাস গ্রহণ কষ্টকর হবে। তারা শিশুদের সুষ্ঠু পড়াশোনার জন্য ভবনটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। বিদ্যালয়ের জমিদাতা রেজাউল আলম স্বপন বলেন, বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির কক্ষটির একাংশ ও শিশুদের ব্যবহারের টয়লেট ধসে পড়েছে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ জন্য জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার প্রয়োজন।

প্রধান শিক্ষক মেহেরুন্নেছা খানম জানান, সকালে বিদ্যালয়ে এসে তিনি দেখেন রাতের ভারী বর্ষণে শ্রেণিকক্ষ ধসে পড়েছে। তাৎক্ষণিক বেঞ্চ, নলকূপ, ফ্যান ও বৈদ্যুতিক তার সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস গ্রহণে ব্যাপক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, দুটি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করা খুবই কষ্টকর হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ফিরোজ জানান, বিদ্যালয়টিতে মাত্র তিনটি শ্রেণিকক্ষ থাকায় এমনিতেই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কষ্ট হয়। এর মধ্যে শুক্রবারের ভারী বর্ষণে পঞ্চম শ্রেণির শ্রেণিকক্ষ ধসে পড়ায় শিক্ষার্থীদের পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটবে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow