নৌ খাতে রাজস্ব ও সেবার মান বাড়াতে ১১ দফা নির্দেশনা

বাংলাদেশের নৌপরিবহন খাতে রাজস্ব বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নদীবন্দর ও নৌপথ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে ১১ দফা গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া। রোববার (১২ জুলাই) কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ের ষষ্ঠ তলার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এসব নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সভায় কর্তৃপক্ষের আয়-রাজস্ব বৃদ্ধি ও সেবার মানোন্নয়ন বিষয়ক পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন সরকারের অতিরিক্ত সচিব এবং কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. মুহিদুল ইসলাম। সভায় প্রতিমন্ত্রী ও সচিব রাজস্ব আহরণের নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেন। সভায় দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাগুলো হলো-  সংরক্ষণ ড্রেজিং ব্যয় সাশ্রয়ী উপায়ে পরিচালনা করে অধিক প্রয়োজনীয় এলাকায় খনন কার্যক্রম জোরদার করা। কনজারভেন্সি ও পাইলটেজ খাতে রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া। বিভিন্ন নৌপথে সময়সূচি অনুমোদনের শর

নৌ খাতে রাজস্ব ও সেবার মান বাড়াতে ১১ দফা নির্দেশনা
বাংলাদেশের নৌপরিবহন খাতে রাজস্ব বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নদীবন্দর ও নৌপথ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে ১১ দফা গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া। রোববার (১২ জুলাই) কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ের ষষ্ঠ তলার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এসব নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সভায় কর্তৃপক্ষের আয়-রাজস্ব বৃদ্ধি ও সেবার মানোন্নয়ন বিষয়ক পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন সরকারের অতিরিক্ত সচিব এবং কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. মুহিদুল ইসলাম। সভায় প্রতিমন্ত্রী ও সচিব রাজস্ব আহরণের নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেন। সভায় দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাগুলো হলো-  সংরক্ষণ ড্রেজিং ব্যয় সাশ্রয়ী উপায়ে পরিচালনা করে অধিক প্রয়োজনীয় এলাকায় খনন কার্যক্রম জোরদার করা। কনজারভেন্সি ও পাইলটেজ খাতে রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া। বিভিন্ন নৌপথে সময়সূচি অনুমোদনের শর্ত সহজ করে খাতভিত্তিক রাজস্ব আদায়ে মনোযোগ বাড়ানো। নদীবন্দর বিভাগের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফোরশোর ও তীরভূমি ব্যবহার ফি যুগোপযোগী করা এবং ঘাট ও পয়েন্টসংক্রান্ত দেওয়ানি মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা। নদীবন্দর এলাকায় মালামাল ওঠানামায় স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার চালু করা। ঢাকার বৃত্তাকার নৌপথে বিভিন্ন ঘাট ও পয়েন্টসংলগ্ন এলাকায় নিরাপদ নৌযান চলাচল নিশ্চিত করা। নিজস্ব অর্থায়নে অন্তত একটি ঘাট বা পয়েন্টকে আধুনিকায়ন করা। অননুমোদিত ডকইয়ার্ডগুলোকে লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসা। লিজ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত স্থানে দৃশ্যমানভাবে প্লট নম্বর, মৌজা ও অবস্থান উল্লেখ করে সাইনবোর্ড স্থাপন নিশ্চিত করা। দেশের বিভিন্ন নৌপথে অপেক্ষাকৃত ছোট ও দ্রুতগামী নৌযান চালুর উদ্যোগ নেওয়া। নদীর বর্জ্য দ্রুত অপসারণে আধুনিক বর্জ্য পরিষ্কারকারী যন্ত্র সংগ্রহ করা। সভায় কর্তৃপক্ষের সদস্য (অর্থ) (গ্রেড-২) ক্যাপ্টেন (অব.) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালনা) ও যুগ্মসচিব মো. সাজেদুর রহমান, সদস্য (প্রকৌশল) রকিবুল ইসলাম তালুকদারসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow