পকেটমারের অভিযোগে ৬ নারী আটক

মেহেরপুরে চুরি ও পকেটমার সন্দেহে ছয় নারী সদস্যকে আটক করেছে স্থানীয়রা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে তাদের আটক করে কর্মরত আনছার সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, এদের বাড়ি জামালাপুর জেলায়। মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকেন। হাসপাতালের ভুক্তভোগী হাসান আলী জানান, তার স্ত্রী জান্নাতুল খাতুন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সকালের দিকে তাকে দেখতে আসে তার আত্মীয় রনি খাতুন। সঙ্গে ছিলো ২ বছর বয়সী এক শিশু। শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতালের লিফটে ৬ তলা থেকে নীচে নামছিলেন। এ সময় শিশুটির হাতে থাকা একটি স্বর্ণের বালা ছিনিয়ে নেয় চোর চক্রের সদস্যরা। পরে আরেক রোগীর পকেট থেকে টাকা বের করতে গিয়ে হাতেনাতে জনতার হাতে ধরা পড়ে ঐ ৬ নারী সদস্য। এরপর তাদের তুলে দেওয়া হয় হাসপাতালে কর্মরত আনছার সদস্যদের হাতে। এ সময় আনছার সদস্যরা তাদের শরীরে তল্লাশি চালায়। তবে কোনো অর্থ বা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করতে পারেনি। আনছার সদস্যরা বলছেন, চুরির পর তারা মালামালগুলো চোর চক্রের সঙ্গে থাকা পুরুষ সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া দেন। দ্রুত পুরুষ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন। তবে ত

পকেটমারের অভিযোগে ৬ নারী আটক

মেহেরপুরে চুরি ও পকেটমার সন্দেহে ছয় নারী সদস্যকে আটক করেছে স্থানীয়রা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে তাদের আটক করে কর্মরত আনছার সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, এদের বাড়ি জামালাপুর জেলায়। মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকেন।

হাসপাতালের ভুক্তভোগী হাসান আলী জানান, তার স্ত্রী জান্নাতুল খাতুন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সকালের দিকে তাকে দেখতে আসে তার আত্মীয় রনি খাতুন। সঙ্গে ছিলো ২ বছর বয়সী এক শিশু। শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতালের লিফটে ৬ তলা থেকে নীচে নামছিলেন। এ সময় শিশুটির হাতে থাকা একটি স্বর্ণের বালা ছিনিয়ে নেয় চোর চক্রের সদস্যরা। পরে আরেক রোগীর পকেট থেকে টাকা বের করতে গিয়ে হাতেনাতে জনতার হাতে ধরা পড়ে ঐ ৬ নারী সদস্য। এরপর তাদের তুলে দেওয়া হয় হাসপাতালে কর্মরত আনছার সদস্যদের হাতে।

এ সময় আনছার সদস্যরা তাদের শরীরে তল্লাশি চালায়। তবে কোনো অর্থ বা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করতে পারেনি।

আনছার সদস্যরা বলছেন, চুরির পর তারা মালামালগুলো চোর চক্রের সঙ্গে থাকা পুরুষ সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া দেন। দ্রুত পুরুষ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন। তবে তাদের কাছ থেকে একটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে। কললিস্ট যাচাই বাছাই করলে পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করা যাবে।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবীর জানান, অভিযুক্তদের থানায় নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা বলছেন, প্রায় সময়ই রোগীর স্বজনরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে চুরির শিকার হন। কিন্তু চোর চক্রের সদস্যরা থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

আসিফ ইকবাল/কেজে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow