বিচারহীনতার অন্ধকারে শিশু রামিসারা
‘আমি বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না’—একজন শোকাহত বাবার এই বাক্য কেবল ব্যক্তিগত হতাশা নয়; এটি বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার ওপর এক ভয়াবহ অনাস্থার দলিল। যে বাবা তার ছোট্ট মেয়ের ছিন্নভিন্ন মরদেহ দেখেছেন, যার বুকের ভেতর থেকে একসঙ্গে সন্তানহারা হওয়ার বেদনা ও রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা ভেঙে পড়ার শব্দ বেরিয়ে এসেছে, তার মুখে এমন কথা আসা অস্বাভাবিক নয়। বরং ভয়াবহ হলো, আমরা সমাজ হিসেবে এই বাক্যের ভেতরে লুকিয়ে থাকা আর্তনাদকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক বলে মেনে নিতে শুরু করেছি। রাজধানীর পল্লবীর একটি সাধারণ বহুতল ভবন, যেখানে প্রতিদিনের মতোই মানুষ কাজে যায়, শিশুরা খেলাধুলা করে, মায়েরা সন্তানকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নেন—সেই পরিচিত নগরজীবনের ভেতরই লুকিয়ে ছিল এক বিভীষিকাময় নির্মমতা। মঙ্গলবার সকালে সাত বছর বয়সী রামিসা আক্তারকে খুঁজে না পেয়ে তার মা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন। স্কুলে যাওয়ার সময় পেরিয়ে গেলেও মেয়ের কোনো খোঁজ মিলছিল না। একপর্যায়ে বাসার সামনে পড়ে থাকা এক পাটি জুতা দেখে তার সন্দেহ হয় পাশের ফ্ল্যাটে। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। ডাকাডাকি ও ধাক্কাধাক্কির পর দরজা খুললে
‘আমি বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না’—একজন শোকাহত বাবার এই বাক্য কেবল ব্যক্তিগত হতাশা নয়; এটি বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার ওপর এক ভয়াবহ অনাস্থার দলিল। যে বাবা তার ছোট্ট মেয়ের ছিন্নভিন্ন মরদেহ দেখেছেন, যার বুকের ভেতর থেকে একসঙ্গে সন্তানহারা হওয়ার বেদনা ও রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা ভেঙে পড়ার শব্দ বেরিয়ে এসেছে, তার মুখে এমন কথা আসা অস্বাভাবিক নয়। বরং ভয়াবহ হলো, আমরা সমাজ হিসেবে এই বাক্যের ভেতরে লুকিয়ে থাকা আর্তনাদকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক বলে মেনে নিতে শুরু করেছি।
রাজধানীর পল্লবীর একটি সাধারণ বহুতল ভবন, যেখানে প্রতিদিনের মতোই মানুষ কাজে যায়, শিশুরা খেলাধুলা করে, মায়েরা সন্তানকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নেন—সেই পরিচিত নগরজীবনের ভেতরই লুকিয়ে ছিল এক বিভীষিকাময় নির্মমতা। মঙ্গলবার সকালে সাত বছর বয়সী রামিসা আক্তারকে খুঁজে না পেয়ে তার মা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন। স্কুলে যাওয়ার সময় পেরিয়ে গেলেও মেয়ের কোনো খোঁজ মিলছিল না। একপর্যায়ে বাসার সামনে পড়ে থাকা এক পাটি জুতা দেখে তার সন্দেহ হয় পাশের ফ্ল্যাটে।
দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। ডাকাডাকি ও ধাক্কাধাক্কির পর দরজা খুললে ভেতরে পাওয়া যায় স্বপ্না আক্তারকে; কিন্তু এর মধ্যেই প্রধান সন্দেহভাজন সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে মিরপুর–১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের ওই ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয় শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ। পুলিশের ভাষ্যমতে, শিশুটিকে হত্যার পর তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়; বিচ্ছিন্ন মাথা পাওয়া যায় শৌচাগারে, আর শরীরের বাকি অংশ লুকিয়ে রাখা হয়েছিল খাটের নিচে। এমন নৃশংসতা শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি আমাদের নগরসভ্যতার মুখে এক ভয়ংকর প্রশ্নচিহ্ন—কীভাবে মানুষের ভেতরে এতটা নিষ্ঠুরতা জন্ম নেয়, আর কেন একটি শিশু পর্যন্ত নিরাপদ থাকে না তার নিজ বাসার পাশের দেওয়ালের ভেতরেও?
শিশু রামিসার হত্যাকাণ্ড শুধু একটি খুন নয়। এটি সভ্যতার বিরুদ্ধে অপরাধ। একটি শিশুকে হত্যা করার পর তার মরদেহ টুকরো টুকরো করা হয়েছে—এমন নিষ্ঠুরতা মানুষের আদিম বর্বরতাকেও হার মানায়। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যমতে, হত্যার আগে তার ওপর পাশবিক নির্যাতনেরও আশঙ্কা রয়েছে। এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে, মানুষ বিচার দাবি করেছে, প্রশাসন তৎপরতার আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এর আগে এমন কত ঘটনার পর আমরা একই দৃশ্য দেখেছি? কত মিছিল, কত মানববন্ধন, কত প্রতিবাদ শেষে শেষ পর্যন্ত বিচারহীনতার অন্ধকারেই সব হারিয়ে গেছে?
বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম, আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন বলছে, দেশে প্রতি বছর শত শত শিশু হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। অনেক ঘটনা সংবাদমাধ্যমেও আসে না। আসকের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে শিশু হত্যার সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। ধর্ষণের পর হত্যা, অপহরণের পর হত্যা কিংবা পারিবারিক সহিংসতায় শিশু মৃত্যুর ঘটনাও বেড়েছে। ভয়ংকর বিষয় হলো, এসব অপরাধের বড় অংশেই বিচার দীর্ঘসূত্রতায় আটকে যায়, আর অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীরা রাজনৈতিক, সামাজিক বা অর্থনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পার পেয়ে যায়।
আমরা কয়েক বছর আগের শিশু তুহিন হত্যার কথা ভুলিনি। সুনামগঞ্জের সেই শিশুকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। শিশু সামিউল আলম রাজনকে পিটিয়ে হত্যার ভিডিও পুরো দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। খুলনার শিশু রাকিব, বরগুনার আয়শা, সিলেটের শিশু ধর্ষণ-হত্যার ঘটনাগুলোও একসময় জাতীয় ক্ষোভ তৈরি করেছিল। প্রতিবারই বলা হয়েছিল—‘দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে।’ কিন্তু বাস্তবতা হলো, বিচারের দীর্ঘসূত্রতা এবং তদন্তের দুর্বলতা মানুষের আস্থা ভেঙে দিয়েছে।
রামিসা আর ফিরে আসবে না। তার ছোট্ট জীবনের নির্মম সমাপ্তি কোনো শাস্তিই পূরণ করতে পারবে না। কিন্তু তার মৃত্যু যদি আমাদের বিবেককে না জাগায়, যদি বিচারব্যবস্থা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে জাতীয় আত্মসমালোচনা তৈরি না করে, তবে আমরা আরও অনেক রামিসাকে হারাব।
বাংলাদেশে ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি হলো তদন্ত প্রক্রিয়ার দুর্বলতা। অনেক ক্ষেত্রে অপরাধস্থল সুরক্ষিত রাখা হয় না, আলামত নষ্ট হয়ে যায়, ফরেনসিক বিশ্লেষণে দেরি হয়, সাক্ষী সুরক্ষার ব্যবস্থা থাকে না। শিশু নির্যাতনের মামলাগুলোতে ভিকটিম পরিবার প্রায়ই সামাজিক চাপ, ভয়ভীতি এবং প্রভাবশালী মহলের হুমকির মুখে পড়ে। ফলে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই অনেক পরিবার নীরব হয়ে যায়।
শিশু রামিসা আক্তার হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (২০ মে) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। প্রশ্ন হচ্ছে, শুধু আইন থাকলেই বিচার নিশ্চিত হয় না; প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ। বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন রয়েছে, শিশু আইন রয়েছে, মৃত্যুদণ্ডের বিধানও আছে। কিন্তু আইনের ভয় অপরাধীকে থামাতে পারছে না। কারণ অপরাধীরা জানে, মামলা দীর্ঘ হবে, তদন্ত দুর্বল হবে, সাক্ষী বদলে যাবে, আর শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ থেকে যাবে। শাস্তির কঠোরতার চেয়ে শাস্তি নিশ্চিত হওয়ার সম্ভাবনাই অপরাধ কমাতে বেশি কার্যকর—বিশ্বজুড়ে অপরাধবিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে এ কথাই বলে আসছেন।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আসে—আমাদের সমাজ কি ক্রমশ সহিংস ও অসুস্থ হয়ে উঠছে? শিশুদের প্রতি এই বিকৃত নিষ্ঠুরতা কোথা থেকে জন্ম নিচ্ছে? পরিবার, সমাজ, শিক্ষা ও সংস্কৃতির ভেতরে কি কোনো গভীর অবক্ষয় তৈরি হয়েছে?
আজকের বাংলাদেশে আমরা এক অদ্ভুত বৈপরীত্য দেখি। প্রযুক্তিগত অগ্রগতি হয়েছে, অর্থনীতি বেড়েছে, কিন্তু মানবিকতা যেন ক্রমশ ক্ষয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহিংসতা, পর্নোগ্রাফি, নারী ও শিশুকে পণ্য হিসেবে উপস্থাপন, মাদক বিস্তার, পারিবারিক ভাঙন এবং অসুস্থ মানসিকতার বিস্তার—সব মিলিয়ে সমাজে এক ধরনের নৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে। শিশুদের নিরাপত্তা শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব নয়; এটি পুরো সমাজের দায়িত্ব।
জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ বহুবার বলেছে, শিশু নির্যাতন রোধে ‘কমিউনিটিভিত্তিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ পরিবার, স্কুল, প্রতিবেশী সমাজ, স্থানীয় প্রশাসন—সবাইকে সক্রিয় হতে হবে। বাংলাদেশে অধিকাংশ শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে পরিচিত মানুষের মাধ্যমে। অনেক সময় অপরাধী পরিবারের ঘনিষ্ঠজন, প্রতিবেশী কিংবা আত্মীয় হয়। ফলে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে সামাজিক সচেতনতা তৈরি না হলে শুধু আইন দিয়ে পরিস্থিতি বদলানো কঠিন।
শিশু সুরক্ষায় আমাদের শিক্ষাব্যবস্থারও বড় ভূমিকা রয়েছে। স্কুলে শিশুদের ‘সেফটি এডুকেশন’ বা নিরাপত্তা শিক্ষা কার্যকরভাবে চালু করা জরুরি। শিশুকে শেখাতে হবে কোন আচরণ অনিরাপদ, কোথায় সাহায্য চাইতে হবে, কীভাবে নিজের নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে। শিশুর আচরণে পরিবর্তন, ভয়, মানসিক অস্থিরতা বা অস্বাভাবিকতা গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।
শিশু নির্যাতনের মামলায় বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কার্যকারিতা বাড়ানো জরুরি। দ্রুত বিচার মানে যেন দায়সারা বিচার না হয়, আবার বছরের পর বছর ঝুলেও না থাকে। এজন্য প্রয়োজন দক্ষ তদন্ত কর্মকর্তা, আধুনিক ফরেনসিক সুবিধা, ডিজিটাল প্রমাণ বিশ্লেষণের সক্ষমতা এবং শিশুবান্ধব বিচারিক পরিবেশ। ভিকটিম পরিবারের জন্য আইনি ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্বের অনেক দেশ শিশু সুরক্ষায় বহুমাত্রিক ব্যবস্থা নিয়েছে। যুক্তরাজ্যে ‘চাইল্ড প্রোটেকশন সার্ভিস’, কানাডায় বাধ্যতামূলক রিপোর্টিং ব্যবস্থা এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোতে শিশু মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা কাঠামো অত্যন্ত শক্তিশালী। কোনো শিশু নির্যাতনের আশঙ্কা দেখা দিলেই রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো দ্রুত হস্তক্ষেপ করে। বাংলাদেশেও শিশু সুরক্ষাকে কেবল ‘ঘটনার পর প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে নয়, বরং প্রতিরোধমূলক জাতীয় নীতির অংশ করতে হবে।
গণমাধ্যমের ভূমিকাও এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় আমরা দেখি, শিশু নির্যাতনের খবর কয়েকদিন আলোচনায় থাকে, তারপর নতুন কোনো ঘটনায় চাপা পড়ে যায়। কিন্তু ধারাবাহিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ছাড়া বিচারপ্রক্রিয়ার দুর্বলতা সামনে আসে না। গণমাধ্যমকে শুধু আবেগ নয়, তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধান ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।
সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো—রাষ্ট্রকে নাগরিকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। একজন বাবা যেন আর বলতে বাধ্য না হন, ‘আমি বিচার চাই না।’ এই বাক্য রাষ্ট্রের জন্য লজ্জা। কারণ বিচার চাওয়ার অধিকার হারিয়ে ফেলা মানে রাষ্ট্রের নৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে যাওয়া।
রামিসা আর ফিরে আসবে না। তার ছোট্ট জীবনের নির্মম সমাপ্তি কোনো শাস্তিই পূরণ করতে পারবে না। কিন্তু তার মৃত্যু যদি আমাদের বিবেককে না জাগায়, যদি বিচারব্যবস্থা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে জাতীয় আত্মসমালোচনা তৈরি না করে, তবে আমরা আরও অনেক রামিসাকে হারাব। তখন প্রতিটি নতুন হত্যাকাণ্ডের পর আমরা শুধু শোক প্রকাশ করব, ক্ষোভ দেখাব, তারপর ভুলে যাব—আর অপরাধীরা বুঝে যাবে, এই সমাজে নৃশংসতারও শেষ পর্যন্ত খুব বেশি মূল্য দিতে হয় না।
একটি সভ্য রাষ্ট্রের পরিচয় শুধু উঁচু ভবন, বড় সেতু বা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নয়; সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো, সে তার শিশুদের কতটা নিরাপদ রাখতে পারে। যে সমাজ তার শিশুদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, সে সমাজ শেষ পর্যন্ত নিজের ভবিষ্যৎকেই হত্যা করে। রামিসার রক্তাক্ত স্মৃতি আমাদের সেই নির্মম সত্যই আবার মনে করিয়ে দিল।
লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট। ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ।
[email protected]
এইচআর/এমএফএ/এমএস
What's Your Reaction?