বিপুল চন্দ্র রায়ের বর্ষার দুটি কবিতা
১. বরষার গান ঝুমঝুম নূপুরেতে নামলো শ্রাবণ,বরষার গীতি গেয়ে মাতে এ ভুবন।মেঘেদের জলছবি আকাশের গায়,কদম ও কেয়া হাসে সবুজ পাতায়।নদী-নালা খাল-বিল জলে থৈ থৈ,ব্যাঙ ডাকে ঘ্যাঙ ঘ্যাং, আনন্দের খৈ।টুপটাপ জলবিন্দু ছুঁয়ে যায় মন,থইথই জলরাশি জাগায় শিহরন। ০২. বর্ষাকে ভালোবেসেছি আষাঢ়ের মেঘ-গর্জনের এই ক্রূর ক্ষণে,ঝঞ্ঝা নামিছে শুধু শূন্য এ চিত্তমনে।নিলীন পাণ্ডুর মেঘে সৌদামিনী হাসে,স্মৃতির কপোত উড়ে ধূসর আকাশে।প্রলয়পয়োধি-সম নামিছে শ্রাবণ,প্লাবিত করিল আজি এ হৃৎ-প্রাঙ্গণ।নিমজ্জিত আশা-বীজ, বিনষ্ট অঙ্কুর,বাজিছে রোদন-ধ্বনি অতি সুকরুণ।উদ্বেলিত নদীসম ক্ষুব্ধ এ পরাণ,গাহিছে তিমির-রাত্রে বিচ্ছেদের গান।প্লাবনের স্রোতে ভাসে অনুভূতির কূল,নিমেষেই ঝরে পড়ে যূথী-মালতী ফুল।হে মেঘ, হে রুদ্র ঝড়, লহ তবে বুকে,প্লাবনের স্রোতে মোর দুখ যাক ধুয়ে মুছে।শান্ত হোক এ পরাণ শ্রাবণের শেষে,তবুও এ বর্ষা-তিথি রাখিব যে ভালোবেসে। কেএসকে
১. বরষার গান
ঝুমঝুম নূপুরেতে নামলো শ্রাবণ,
বরষার গীতি গেয়ে মাতে এ ভুবন।
মেঘেদের জলছবি আকাশের গায়,
কদম ও কেয়া হাসে সবুজ পাতায়।
নদী-নালা খাল-বিল জলে থৈ থৈ,
ব্যাঙ ডাকে ঘ্যাঙ ঘ্যাং, আনন্দের খৈ।
টুপটাপ জলবিন্দু ছুঁয়ে যায় মন,
থইথই জলরাশি জাগায় শিহরন।
০২. বর্ষাকে ভালোবেসেছি
আষাঢ়ের মেঘ-গর্জনের এই ক্রূর ক্ষণে,
ঝঞ্ঝা নামিছে শুধু শূন্য এ চিত্তমনে।
নিলীন পাণ্ডুর মেঘে সৌদামিনী হাসে,
স্মৃতির কপোত উড়ে ধূসর আকাশে।
প্রলয়পয়োধি-সম নামিছে শ্রাবণ,
প্লাবিত করিল আজি এ হৃৎ-প্রাঙ্গণ।
নিমজ্জিত আশা-বীজ, বিনষ্ট অঙ্কুর,
বাজিছে রোদন-ধ্বনি অতি সুকরুণ।
উদ্বেলিত নদীসম ক্ষুব্ধ এ পরাণ,
গাহিছে তিমির-রাত্রে বিচ্ছেদের গান।
প্লাবনের স্রোতে ভাসে অনুভূতির কূল,
নিমেষেই ঝরে পড়ে যূথী-মালতী ফুল।
হে মেঘ, হে রুদ্র ঝড়, লহ তবে বুকে,
প্লাবনের স্রোতে মোর দুখ যাক ধুয়ে মুছে।
শান্ত হোক এ পরাণ শ্রাবণের শেষে,
তবুও এ বর্ষা-তিথি রাখিব যে ভালোবেসে।
কেএসকে
What's Your Reaction?