ভ্রাম্যমাণ আদালতের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে সাংবাদিক আটক, পাঠানো হলো আদালতে
কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে এক সাংবাদিককে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আটককৃত সাংবাদিকের নাম আলি জামশেদ (৫০)। তিনি কালবেলা পত্রিকার নিকলী উপজেলা প্রতিনিধি এবং নয়া দিগন্ত পত্রিকার বাজিতপুর সংবাদদাতা হিসেবেও কাজ করেন। তিনি নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের সাজনপুর গ্রামের মুসলিম মিয়ার ছেলে। জানা গেছে, তিনি সাজনপুর আঠারবাড়িয়া গোপিরায়ের বাজারের গরুর হাটের ইজারাদারও।বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্তের নেতৃত্বে হাসপাতাল মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চলছিল। এ সময় সাংবাদিক আলি জামশেদ মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলেন। আদালত তাঁর মোটরসাইকেল থামিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। একই সঙ্গে তিনি দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে অসদাচরণ ও দুর্ব্যবহার করেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ওই সাংবাদিককে উল্টো ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধী বলতে এবং তাঁর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য চাইতে দেখা যায়। ম্যাজিস্ট্রেট তখন তাঁকে অফিসে গিয়ে বক্তব্য নিতে বলেন
কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে এক সাংবাদিককে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আটককৃত সাংবাদিকের নাম আলি জামশেদ (৫০)। তিনি কালবেলা পত্রিকার নিকলী উপজেলা প্রতিনিধি এবং নয়া দিগন্ত পত্রিকার বাজিতপুর সংবাদদাতা হিসেবেও কাজ করেন। তিনি নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের সাজনপুর গ্রামের মুসলিম মিয়ার ছেলে। জানা গেছে, তিনি সাজনপুর আঠারবাড়িয়া গোপিরায়ের বাজারের গরুর হাটের ইজারাদারও।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্তের নেতৃত্বে হাসপাতাল মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চলছিল। এ সময় সাংবাদিক আলি জামশেদ মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলেন। আদালত তাঁর মোটরসাইকেল থামিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। একই সঙ্গে তিনি দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে অসদাচরণ ও দুর্ব্যবহার করেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ওই সাংবাদিককে উল্টো ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধী বলতে এবং তাঁর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য চাইতে দেখা যায়। ম্যাজিস্ট্রেট তখন তাঁকে অফিসে গিয়ে বক্তব্য নিতে বলেন এবং তার আগে গাড়ির কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে বলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত জানান, রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি মোটরসাইকেল আটক করা হয়। চালক আলি জামশেদ ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে পারেননি এবং তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। পরে তিনি তাঁর এলাকার লোকজনকে এনে হুমকি-ধামকি দিতে থাকেন। ঘটনাটি যেহেতু তাঁর সঙ্গে ঘটেছে এবং আলি জামশেদ অপরাধ স্বীকার করেননি, তাই তাঁকে কোনো শাস্তি না দিয়ে আটক করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে বাধা, ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারসহ অন্যান্য অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কিশোরগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।
নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম সন্ধ্যায় জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে পুলিশ আলি জামশেদকে কিশোরগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল আদালতের কাছে হস্তান্তর করে। আদালত তাঁকে জেল হাজতে পাঠায়।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আলি জামশেদ সাংবাদিক হলেও তিনি এলাকার সবচেয়ে বড় গরুর হাটের ইজারাদার। প্রতি বুধবার গরুর হাটটি বসানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, হাটটি এতটাই বিস্তৃত যে, নির্ধারিত জায়গা ছাড়াও স্থানীয় একটি প্রাইমারি স্কুল এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাঠেও এটি ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে স্কুল ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জায়গা থেকে হাটটি সরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইজারাদার আলি জামশেদের কয়েকজন লোককে জরিমানা করা হয়। এরপর থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে ওই সাংবাদিকের বিরোধ তৈরি হয়। পরে এসিল্যান্ড ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্তের বিরুদ্ধে সাংবাদিক জামশেদ বেশ কয়েকটি সংবাদ প্রকাশ করেন।
What's Your Reaction?