মালয়েশিয়ায় নিহত প্রবাসী রবিনের মরদেহ দেশে, তিতাসে শোকের ছায়া
মালয়েশিয়ায় দুর্বৃত্তদের হাতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার কুমিল্লার তিতাস উপজেলার রবিউল হাসান রবিনের (৩৮) মরদেহ দেশে ফিরেছে। হত্যাকাণ্ডের ৮ দিন পর বুধবার (১৩ মে) বিকেলে তিতাস উপজেলার কালাইগোবিন্দপুর গ্রামে তার মরদেহ পৌঁছালে এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
নিহত রবিন ওই গ্রামের বাসিন্দা। ২০২৩ সালে উন্নত জীবনের আশায় ও পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মে সকালে কুয়ালালামপুরের বুকিত জলিল এলাকায় একটি চীনা নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গিয়ে নিখোঁজ হন রবিন। পরদিন মঙ্গলবার বিকেলে নির্মাণাধীন ভবনের একটি ময়লার ড্রাম্পার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ।
নিহতের পরিবারের দাবি, রবিন সেখানে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতেন এবং প্রায় ২ হাজার শ্রমিকের বেতনের হিসাব রাখার দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তার এই সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে সেখানে কর্মরত অন্য দুই বাংলাদেশি তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে রবিনের মরদেহ ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক ব
মালয়েশিয়ায় দুর্বৃত্তদের হাতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার কুমিল্লার তিতাস উপজেলার রবিউল হাসান রবিনের (৩৮) মরদেহ দেশে ফিরেছে। হত্যাকাণ্ডের ৮ দিন পর বুধবার (১৩ মে) বিকেলে তিতাস উপজেলার কালাইগোবিন্দপুর গ্রামে তার মরদেহ পৌঁছালে এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
নিহত রবিন ওই গ্রামের বাসিন্দা। ২০২৩ সালে উন্নত জীবনের আশায় ও পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মে সকালে কুয়ালালামপুরের বুকিত জলিল এলাকায় একটি চীনা নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গিয়ে নিখোঁজ হন রবিন। পরদিন মঙ্গলবার বিকেলে নির্মাণাধীন ভবনের একটি ময়লার ড্রাম্পার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ।
নিহতের পরিবারের দাবি, রবিন সেখানে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতেন এবং প্রায় ২ হাজার শ্রমিকের বেতনের হিসাব রাখার দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তার এই সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে সেখানে কর্মরত অন্য দুই বাংলাদেশি তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে রবিনের মরদেহ ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। বিকেলে নিজ গ্রামে মরদেহ পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। বাদ মাগরিব জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
নিহতের স্ত্রী ফেরদৌসী বেগম তিন সন্তানকে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, একমাত্র উপার্জনক্ষম স্বামীকে হারিয়ে আমি এখন সন্তানদের নিয়ে কীভাবে বাঁচব?
নিহতের বড় ভাই খোকন ও ভাতিজা পাভেল আক্ষেপ করে বলেন, রবিন খুব শিগগিরই সব গুছিয়ে দেশে ফেরার কথা ছিল, কিন্তু আজ তাকে কফিনবন্দি হয়ে ফিরতে হলো। তারা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান।