মিরসরাইয়ে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অনেক গ্রামে। গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে যাওয়া ও তার ছিঁড়ে যাওয়ায় অন্ধকারে প্রায় ২০ হাজার গ্রাহক। শনিবার (২ মে) দুপুরের পর থেকে উপজেলাজুড়ে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝড় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে মাঠে কাজ করছে পল্লী বিদ্যুতের কর্মীরা। মিরসরাই পৌর সদরের ফারিয়া হোটেলের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ফারুক বলেন, সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হয়। দুপুর হঠাৎ ঝড়ো বাতাসে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। হোটেল রাতের মতো অন্ধকার হয়ে যায়। মোমবাতি জ্বালিয়ে কাস্টমারদের সার্ভিস দিচ্ছি। উপজেলার গাছবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা নুর হোসেন মামুন বলেন, দুপুরে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর এখনো আসেনি। প্রায় ৮ ঘণ্টা হয়ে গেছে। আমার ছেলে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলে তারা জানান- কাজ চলছে সময় লাগবে। উপজেলার বিষুমিয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম বলেন, এমনিতে গত কয়েকদিন লোডশেডিং চলছে। তার মধ্যে আজ সারাদিন বিদ্যুৎ নেই। কখন

মিরসরাইয়ে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অনেক গ্রামে। গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে যাওয়া ও তার ছিঁড়ে যাওয়ায় অন্ধকারে প্রায় ২০ হাজার গ্রাহক।

শনিবার (২ মে) দুপুরের পর থেকে উপজেলাজুড়ে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝড় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে মাঠে কাজ করছে পল্লী বিদ্যুতের কর্মীরা।

মিরসরাই পৌর সদরের ফারিয়া হোটেলের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ফারুক বলেন, সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হয়। দুপুর হঠাৎ ঝড়ো বাতাসে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। হোটেল রাতের মতো অন্ধকার হয়ে যায়। মোমবাতি জ্বালিয়ে কাস্টমারদের সার্ভিস দিচ্ছি।

উপজেলার গাছবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা নুর হোসেন মামুন বলেন, দুপুরে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর এখনো আসেনি। প্রায় ৮ ঘণ্টা হয়ে গেছে। আমার ছেলে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলে তারা জানান- কাজ চলছে সময় লাগবে।

উপজেলার বিষুমিয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম বলেন, এমনিতে গত কয়েকদিন লোডশেডিং চলছে। তার মধ্যে আজ সারাদিন বিদ্যুৎ নেই। কখন আসে তারও ঠিক নেই।

চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর বারইয়ারহাট অফিসের ডিজিএম হেদায়েত উল্লাহ বলেন, গাছের ডাল ভেঙে লাইনে পড়ে অনেক জায়গায় তার ছিঁড়ে গেছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। গাছের ডাল পরিষ্কার করে দ্রুত সময়ের বিদ্যুৎ চালু করা হবে।’

এম মাঈন উদ্দিন/এনএইচআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow