যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেবে না যুক্তরাজ্য
ইরানে হামলা চালাতে মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করতে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দ্য টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ওয়াশিংটনের সঙ্গে উত্তেজনা বেড়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনার মুখে পড়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। প্রতিবেদনের তথ্য মতে, দীর্ঘদিনের চুক্তি অনুযায়ী গ্লুচেস্টারশায়ারের আরএএফ ফেয়ার ফোর্ড ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান অবস্থান করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভারী বোমারু বিমান মোতায়েন থাকে। পাশাপাশি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত দিয়েগো গার্সিয়া একটি মার্কিন-যুক্তরাজ্য যৌথ বিমান ঘাঁটি। তবে এসব ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলা চালাতে হলে এর জন্য ব্রিটিশ সরকারের পূর্বানুমোদন প্রয়োজন হবে। কিন্তু ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সম্ভাব্য সামরিক হামলা চালানোর জন্য মার্কিন বাহিনীকে সেই অনুমতি দেয়নি যুক্তরাজ্য। যুক্তরাজ্যের আশঙ্কা, সুস্পষ্ট আইনি ভিত্তি ছাড়া হামলায় অংশ নিলে তা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের শামিল হতে পারে। যুক্তরাজ্য এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি ২০২৫ সালে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান ওশান টেরিটরির সার্ব
ইরানে হামলা চালাতে মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করতে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দ্য টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে।
এই সিদ্ধান্তে ওয়াশিংটনের সঙ্গে উত্তেজনা বেড়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনার মুখে পড়েছে যুক্তরাজ্য সরকার।
প্রতিবেদনের তথ্য মতে, দীর্ঘদিনের চুক্তি অনুযায়ী গ্লুচেস্টারশায়ারের আরএএফ ফেয়ার ফোর্ড ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান অবস্থান করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভারী বোমারু বিমান মোতায়েন থাকে। পাশাপাশি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত দিয়েগো গার্সিয়া একটি মার্কিন-যুক্তরাজ্য যৌথ বিমান ঘাঁটি।
তবে এসব ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলা চালাতে হলে এর জন্য ব্রিটিশ সরকারের পূর্বানুমোদন প্রয়োজন হবে।
কিন্তু ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সম্ভাব্য সামরিক হামলা চালানোর জন্য মার্কিন বাহিনীকে সেই অনুমতি দেয়নি যুক্তরাজ্য। যুক্তরাজ্যের আশঙ্কা, সুস্পষ্ট আইনি ভিত্তি ছাড়া হামলায় অংশ নিলে তা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের শামিল হতে পারে।
যুক্তরাজ্য এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি ২০২৫ সালে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান ওশান টেরিটরির সার্বভৌমত্ব মরিশাসের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের চুক্তিরও সমালোচনা করেছেন। এই টেরিটরির মধ্যে ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়া ও চাগোস দ্বীপপুঞ্জ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, একটি অত্যন্ত অস্থিতিশীল ও বিপজ্জনক শাসনের সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দিয়েগো গার্সিয়া এবং ফেয়ার ফোর্ডে অবস্থিত বিমানঘাঁটি ব্যবহার করা প্রয়োজন হতে পারে। এখানে অস্থিতিশীল ও বিপজ্জনক শাসন বলতে ইরানকে ইঙ্গিত করেছেন।
এই বিরোধের সূত্রপাত হয় ট্রাম্প যখন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দেওয়া তার আল্টিমেটাম বিষয়ে আলোচনা করেন। পরদিন ট্রাম্প প্রকাশ্যে চাগোস চুক্তি নিয়ে তার সমালোচনাকে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানে যুক্তরাজ্যের ভূমিকার সঙ্গে যুক্ত করেন।
ট্রাম্প দাবি করেন, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় যুক্তরাজ্যের সমর্থন বৈধ হবে এবং ইরান যুক্তরাজ্য ও তার মিত্র দেশগুলোর ওপর হামলা চালাতে পারে।
কেএম
What's Your Reaction?