শাহ আমানতে ২৩৫ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে আসা এক যাত্রীর লাগেজ থেকে ২৩৫ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স। জব্দ করা সিগারেটের বিপরীতে প্রায় ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৪৮ ফ্লাইটের এক যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাসি করে এসব সিগারেট জব্দ করা হয়। আরও পড়ুন বন্দরে চাপ: নন-বন্ডেড এলাকায় খালি কনটেইনার রাখার অনুমতি চায় চেম্বার বিমানবন্দর সূত্র জানায়, আটক যাত্রী মোহাম্মদ সোহেলের লাগেজ থেকে ১৫০ কার্টন মন্ড এবং ৮৫ কার্টন ইজি লাইটস ব্র্যান্ডের সিগারেট পাওয়া যায়। কাস্টমসের হিসাব অনুযায়ী, মন্ড ব্র্যান্ডের সিগারেট থেকে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ইজি লাইটস ব্র্যান্ডের সিগারেট থেকে ২ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। মোট আদায় হয়েছে ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ টাকা। আরও পড়ুন চলতি বছরেই বন্ধ কারখানা চালুর বিষয়ে পদক্ষেপ চান প্রধানমন্ত্রী কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, জব্দ করা সিগারেট ডিটেনশন মেমোরেন্ডাম (ডিএম) মূলে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে আসা এক যাত্রীর লাগেজ থেকে ২৩৫ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স। জব্দ করা সিগারেটের বিপরীতে প্রায় ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৪৮ ফ্লাইটের এক যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাসি করে এসব সিগারেট জব্দ করা হয়।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, আটক যাত্রী মোহাম্মদ সোহেলের লাগেজ থেকে ১৫০ কার্টন মন্ড এবং ৮৫ কার্টন ইজি লাইটস ব্র্যান্ডের সিগারেট পাওয়া যায়।
কাস্টমসের হিসাব অনুযায়ী, মন্ড ব্র্যান্ডের সিগারেট থেকে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ইজি লাইটস ব্র্যান্ডের সিগারেট থেকে ২ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। মোট আদায় হয়েছে ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ টাকা।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, জব্দ করা সিগারেট ডিটেনশন মেমোরেন্ডাম (ডিএম) মূলে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও বিমানবন্দর কাস্টমস শাখা মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছে।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের অনুপ্রবেশ এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি রোধে বিমানবন্দরে কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স, কাস্টমস ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বিত নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
এমআরএএইচ/কেএসআর
What's Your Reaction?

