শুক্রবার ঈদ উদযাপন করবেন ভোলার ৫ হাজার মানুষ

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগামীকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোলার প্রায় ৫ হাজার মানুষ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। সুরেশ্বরী ও সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনে একদিন আগেই এই উৎসব পালন করছেন। ভোলা সদরের পূর্ব ইলিশার সুরেশ্বরী দরবার শরীফের ইমাম মো. অলিউল্লাহ জানান, আগামীকাল তাদের সুরেশ্বরী দরবার শরীফের সকাল ৯টা ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। তিনি জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল তারা গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রোজা রেখেছেন। সে হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার ৩০ রোজা পূর্ণ হয়েছে। তাই আগামীকাল শুক্রবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত করবো। প্রতি বছরই তারা একই নিয়মে করে থাকেন। তাদের বাবা ও দাদারা এভাবে পালন করছেন তাই তারাও সেই নিয়ম মানছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবর শরীফ অনুসারীদের সবচেয়ে বড় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বোরহানউদ্দিনের টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন গ্রামের চৌকিদার বাড়ির জামে মসজিদে। ঈদের জামাতটি সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা আনোয়ার হোসেন। ওই মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুর রহিম মাস্টার জানান, তাদের বাবা ও দাদারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখ

শুক্রবার ঈদ উদযাপন করবেন ভোলার ৫ হাজার মানুষ

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগামীকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোলার প্রায় ৫ হাজার মানুষ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। সুরেশ্বরী ও সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনে একদিন আগেই এই উৎসব পালন করছেন।

ভোলা সদরের পূর্ব ইলিশার সুরেশ্বরী দরবার শরীফের ইমাম মো. অলিউল্লাহ জানান, আগামীকাল তাদের সুরেশ্বরী দরবার শরীফের সকাল ৯টা ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল তারা গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রোজা রেখেছেন। সে হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার ৩০ রোজা পূর্ণ হয়েছে। তাই আগামীকাল শুক্রবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত করবো। প্রতি বছরই তারা একই নিয়মে করে থাকেন। তাদের বাবা ও দাদারা এভাবে পালন করছেন তাই তারাও সেই নিয়ম মানছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবর শরীফ অনুসারীদের সবচেয়ে বড় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বোরহানউদ্দিনের টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন গ্রামের চৌকিদার বাড়ির জামে মসজিদে। ঈদের জামাতটি সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা আনোয়ার হোসেন।

ওই মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুর রহিম মাস্টার জানান, তাদের বাবা ও দাদারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ উদযাপন করতেন, তাই তারাও একই নিয়মে রোজা ও ঈদ উদযাপন করে আসছেন। এই নিয়মর তাদের বংশ প্রায় ২০০ শত বছর ধরে পালন করছেন বলে দাবি করছেন তিনি।

জুয়েল সাহা বিকাশ/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow