সিটি ব্যাংকের প্রথম প্রান্তিকে ১৬২ শতাংশ মুনাফা প্রবৃদ্ধি

দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক দি সিটি ব্যাংক ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (৩১ মার্চ পর্যন্ত) নিট মুনাফায় ১৬২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ব্যাংকটির কর-পরবর্তী মুনাফা (পিএটি) দাঁড়িয়েছে ২৪১ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯২ কোটি টাকা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে শূন্য দশমিক ৬ টাকা থেকে ১ দশমিক ৬ টাকায় উন্নীত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ব্যাংকটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন এই প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ঋণ প্রবৃদ্ধির নিম্নমুখী ধারা ব্যাংকিং খাতের জন্য উদ্বেগজনক। ব্যাংকটির এই শক্তিশালী পারফরম্যান্সের পেছনে কোর ব্যাংকিং আয়ের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। ঋণ থেকে সুদ আয় ১৪ শতাংশ বেড়ে এক হাজার ১৪৩ কোটি টাকা থেকে এক হাজার ৩০৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। পাশাপাশি বিনিয়োগ আয় ৬০৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এক হাজার ১৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা মোট অপারেটিং আয়ের ৩২ শতাংশ। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় আয়, কার্ড ফি এবং ট্রেড কমিশন বাড়ায় ফি ও কমিশন আয় ২৭

সিটি ব্যাংকের প্রথম প্রান্তিকে ১৬২ শতাংশ মুনাফা প্রবৃদ্ধি

দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক দি সিটি ব্যাংক ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (৩১ মার্চ পর্যন্ত) নিট মুনাফায় ১৬২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ব্যাংকটির কর-পরবর্তী মুনাফা (পিএটি) দাঁড়িয়েছে ২৪১ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯২ কোটি টাকা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে শূন্য দশমিক ৬ টাকা থেকে ১ দশমিক ৬ টাকায় উন্নীত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ব্যাংকটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

তবে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন এই প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ঋণ প্রবৃদ্ধির নিম্নমুখী ধারা ব্যাংকিং খাতের জন্য উদ্বেগজনক।

ব্যাংকটির এই শক্তিশালী পারফরম্যান্সের পেছনে কোর ব্যাংকিং আয়ের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। ঋণ থেকে সুদ আয় ১৪ শতাংশ বেড়ে এক হাজার ১৪৩ কোটি টাকা থেকে এক হাজার ৩০৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। পাশাপাশি বিনিয়োগ আয় ৬০৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এক হাজার ১৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা মোট অপারেটিং আয়ের ৩২ শতাংশ।

এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় আয়, কার্ড ফি এবং ট্রেড কমিশন বাড়ায় ফি ও কমিশন আয় ২৭ শতাংশ বেড়েছে। ফলে প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির মোট আয় ৩৮ শতাংশ বেড়ে এক হাজার ৩৩৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে, ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকায় কস্ট-টু-ইনকাম রেশিও ৫২ শতাংশ থেকে কমে ৪৪ শতাংশে নেমে এসেছে। অপারেটিং মুনাফা ৬১ শতাংশ বেড়ে ৭৪৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪৬১ কোটি টাকা।

এছাড়া সম্পদের গুণগতমানের উন্নতির ফলে প্রভিশনিংয়ের চাপ কিছুটা কমেছে, যা নিট মুনাফা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।

ইএআর/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow