সিরিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে সম্মত ইইউ
সিরিয়ার সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে সম্মত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছরের যুদ্ধের পর দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (১১ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইউরোপীয় কাউন্সিল জানিয়েছে, সিরিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তির ওপর আরোপিত আংশিক স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশটির সঙ্গে আরও বিস্তৃত বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরায় চালু হবে। কাউন্সিলের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সিরিয়ার সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি সিরিয়ার সঙ্গে পুনরায় সম্পৃক্ত হওয়া এবং দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার ব্যাপারে ইইউর অঙ্গীকারের একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা বহন করে। এদিকে একই সময়ে ব্রাসেলসে ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সিরিয়ার শীর্ষ কূটনীতিক আসাদ আল-শাইবানির সঙ্গে বৈঠক করেন। বাশার আল-আসাদের পতনের ১৮ মাস পর এটিই ছিল উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সংলাপের সূচনা। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২৭ সদস্যের এই জোট সিরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অ
সিরিয়ার সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে সম্মত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছরের যুদ্ধের পর দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইউরোপীয় কাউন্সিল জানিয়েছে, সিরিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তির ওপর আরোপিত আংশিক স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশটির সঙ্গে আরও বিস্তৃত বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরায় চালু হবে।
কাউন্সিলের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সিরিয়ার সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি সিরিয়ার সঙ্গে পুনরায় সম্পৃক্ত হওয়া এবং দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার ব্যাপারে ইইউর অঙ্গীকারের একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা বহন করে।
এদিকে একই সময়ে ব্রাসেলসে ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সিরিয়ার শীর্ষ কূটনীতিক আসাদ আল-শাইবানির সঙ্গে বৈঠক করেন। বাশার আল-আসাদের পতনের ১৮ মাস পর এটিই ছিল উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সংলাপের সূচনা।
২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২৭ সদস্যের এই জোট সিরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করেছে।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে উরসুলা ফন ডার লেয়েন দামেস্কে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। বৈঠকের পর তিনি বলেন, সিরিয়ার পুনর্গঠনে সহায়তা করতে ইউরোপ সম্ভাব্য সবকিছু করবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে ইউরোপীয় কমিশন ইইউভুক্ত দেশগুলোকে সিরিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি পুরোপুরি পুনরায় কার্যকর করার প্রস্তাব দেয়। এই চুক্তির আওতায় সিরিয়া থেকে আমদানি হওয়া অধিকাংশ শিল্পপণ্যের ওপর শুল্ক তুলে নেওয়া হয়েছিল। তবে ২০১১ সালে বাশার আল-আসাদ সরকার সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন শুরু করলে এবং গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে চুক্তিটি আংশিকভাবে স্থগিত করা হয়।
২০১০ সালে সিরিয়া ও ইইউর মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৭ বিলিয়ন ইউরোর বেশি। কিন্তু ২০২৩ সালে এসে ইইউর সিরিয়া থেকে আমদানির পরিমাণ কমে মাত্র ১০ কোটি ৩০ লাখ ইউরোতে দাঁড়ায়। আর ইউরোপ থেকে সিরিয়ায় রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২৬ কোটি ৫০ লাখ ইউরো।
What's Your Reaction?