সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নিহত
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার এক বাংলাদেশি প্রবাসী ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) সৌদি আরব সময় বিকেল ৩টার দিকে আল-কাসিম থেকে হাইল শহরে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ওই যুবকের নাম নিয়াজ মোর্শেদ তোতা মিয়া (৫০)। তিনি উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ঝালপাজা গ্রামের মরহুম হোসেন আলী দপ্তরীর ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তোতা মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে বসবাস করতেন এবং সেখানে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর বাজারে অবস্থিত আল-মদিনা শপিং কমপ্লেক্সের স্বত্বাধিকারী ছিলেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে নিহতের ভাতিজা আল ফাহাদ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ব্যবসায়িক কাজে আল-কাসিম থেকে প্রায় ২০০০ কিলোমিটার দূরের হাইল শহরে যাওয়ার পথে একটি কাভার্ডভ্যান পাশ থেকে তোতা মিয়ার বহনকারী জিপ গাড়িকে চাপা দিলে সংঘর্ষ ঘটে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার মরদেহ সৌদি আরবের হাইল শহরের একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার এক বাংলাদেশি প্রবাসী ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সৌদি আরব সময় বিকেল ৩টার দিকে আল-কাসিম থেকে হাইল শহরে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই যুবকের নাম নিয়াজ মোর্শেদ তোতা মিয়া (৫০)। তিনি উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ঝালপাজা গ্রামের মরহুম হোসেন আলী দপ্তরীর ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তোতা মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে বসবাস করতেন এবং সেখানে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর বাজারে অবস্থিত আল-মদিনা শপিং কমপ্লেক্সের স্বত্বাধিকারী ছিলেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে নিহতের ভাতিজা আল ফাহাদ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, ব্যবসায়িক কাজে আল-কাসিম থেকে প্রায় ২০০০ কিলোমিটার দূরের হাইল শহরে যাওয়ার পথে একটি কাভার্ডভ্যান পাশ থেকে তোতা মিয়ার বহনকারী জিপ গাড়িকে চাপা দিলে সংঘর্ষ ঘটে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বর্তমানে তার মরদেহ সৌদি আরবের হাইল শহরের একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
What's Your Reaction?