সৌদি সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে হুথিদের হামলা, বহু হতাহতের দাবি
ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী জানিয়েছে, লোহিত সাগরের তীরে ইয়েমেনের মোখা শহরে সৌদি বাহিনীর ওপর তারা বড় আকারের ও সুনির্দিষ্ট সামরিক অভিযান চালিয়েছে। খবর সিএনএনের।
এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, সৌদি আরব অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে তাদের বাহিনীর ওপর ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ এবং পশ্চিম ইয়েমেনে হামলা চালানোর প্রতিক্রিয়ায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া যাচাই না করা কয়েকটি ছবিতে মোখা শহরের ওপর থেকে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে। তবে এসব ছবির সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ইয়েমেনের জাতিসংঘ-সমর্থিত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছেও এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে।
হুথিদের দাবি, মোখায় চালানো হামলা ছিল সুনির্দিষ্ট। এতে বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র ধ্বংস হয়েছে এবং সৌদি নাগরিকসহ কয়েক ডজন মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। বিপুলসংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে হামলাটি চালানো হয় বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।
বিবৃতিতে হুথিরা আরও বলেছে, সৌদি আরবকে ইয়েমেনের জনগণকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং তাদের সন্তানদের মৃত্যুর আগুনে ঠেলে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী জানিয়েছে, লোহিত সাগরের তীরে ইয়েমেনের মোখা শহরে সৌদি বাহিনীর ওপর তারা বড় আকারের ও সুনির্দিষ্ট সামরিক অভিযান চালিয়েছে। খবর সিএনএনের।
এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, সৌদি আরব অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে তাদের বাহিনীর ওপর ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ এবং পশ্চিম ইয়েমেনে হামলা চালানোর প্রতিক্রিয়ায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া যাচাই না করা কয়েকটি ছবিতে মোখা শহরের ওপর থেকে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে। তবে এসব ছবির সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ইয়েমেনের জাতিসংঘ-সমর্থিত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছেও এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে।
হুথিদের দাবি, মোখায় চালানো হামলা ছিল সুনির্দিষ্ট। এতে বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র ধ্বংস হয়েছে এবং সৌদি নাগরিকসহ কয়েক ডজন মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। বিপুলসংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে হামলাটি চালানো হয় বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।
বিবৃতিতে হুথিরা আরও বলেছে, সৌদি আরবকে ইয়েমেনের জনগণকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং তাদের সন্তানদের মৃত্যুর আগুনে ঠেলে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
প্রসঙ্গত, ইয়েমেনে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সংঘাত চলছে। মূলত হুথি গোষ্ঠী এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারের পক্ষে থাকা সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে এই সংঘাত।
২০১১ সালের আরব বসন্তের পর হুথিরা প্রথমে ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের একটি প্রদেশ দখল করে। পরে রাজধানী সানাও নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। শহরটি এখনো তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। লোহিত সাগরের উপকূলের বড় একটি অংশও হুথিদের নিয়ন্ত্রণে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সৌদি আরব ২০১৫ সালে হুথিদের উত্তর ইয়েমেন থেকে সরিয়ে দিতে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে। প্রায় সাত বছর ধরে চলা সেই প্রচেষ্টা তাদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়। দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধ ইয়েমেনকে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটের দিকে ঠেলে দেয়।
সূত্র : সিএনএন