স্পেনের খেলোয়াড়দের ওপর হামলে পড়েন প্যারেদেস, ঠেকাতে এলেন স্কালোনি

স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার উত্তেজনাপূর্ণ ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার পর মাঠে তৈরি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই স্পেনের খেলোয়াড়দের দিকে তেড়ে যান আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলার। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আগেই নিজেই মাঠে নেমে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। ম্যাচজুড়েই ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও শারীরিক লড়াই। পুরো ম্যাচে প্রায় ৫০টি ফাউল হয়। আর্জেন্টিনার চারজন খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখেন। ইনজুরি সময়ের শেষ মুহূর্তে (৯০+৩ মিনিট) লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন দলের তারকা মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। এসবই প্রমাণ করে, ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত শারীরিক লড়াইপূর্ণ, যেখানে নান্দনিক ফুটবলের চেয়ে কঠোর ট্যাকলের প্রাধান্যই বেশি ছিল। শেষ বাঁশি বাজার পরপরই আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় স্পেনের ফুটবলারদের মুখোমুখি হন। এ সময় দেখা গেছে, আর্জেন্টিনা মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো প্যারেদেস গলা ধাক্কা দেন স্পেনের এরিক গার্সিয়াকে। এরপর ঘুরে দাঁড়িয়ে আরেক স্প্যানিশ খেলোয়াড় গাবিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন মাঠে এবং তার জার্সি টেনে ধরেন। একপর্যায়ে দুই দলের খেলো

স্পেনের খেলোয়াড়দের ওপর হামলে পড়েন প্যারেদেস, ঠেকাতে এলেন স্কালোনি

স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার উত্তেজনাপূর্ণ ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার পর মাঠে তৈরি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই স্পেনের খেলোয়াড়দের দিকে তেড়ে যান আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলার। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আগেই নিজেই মাঠে নেমে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি।

ম্যাচজুড়েই ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও শারীরিক লড়াই। পুরো ম্যাচে প্রায় ৫০টি ফাউল হয়। আর্জেন্টিনার চারজন খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখেন। ইনজুরি সময়ের শেষ মুহূর্তে (৯০+৩ মিনিট) লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন দলের তারকা মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। এসবই প্রমাণ করে, ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত শারীরিক লড়াইপূর্ণ, যেখানে নান্দনিক ফুটবলের চেয়ে কঠোর ট্যাকলের প্রাধান্যই বেশি ছিল।

Garcia

শেষ বাঁশি বাজার পরপরই আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় স্পেনের ফুটবলারদের মুখোমুখি হন। এ সময় দেখা গেছে, আর্জেন্টিনা মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো প্যারেদেস গলা ধাক্কা দেন স্পেনের এরিক গার্সিয়াকে। এরপর ঘুরে দাঁড়িয়ে আরেক স্প্যানিশ খেলোয়াড় গাবিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন মাঠে এবং তার জার্সি টেনে ধরেন। একপর্যায়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হলে স্কালোনি দ্রুত এগিয়ে এসে নিজের খেলোয়াড়দের শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ফাইনাল শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে ছোটখাটো সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়, যা কিছু সময়ের জন্য উদ্‌যাপনের পরিবেশকেও ম্লান করে দেয়।

gavi

আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে খেললেও মাঠে তার সুফল পায়নি আর্জেন্টিনা। স্কালোনির দল প্রথম ১০৫ মিনিটে প্রতিপক্ষের গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেনি। ১২০ মিনিট শেষে তাদের মোট শট ছিল মাত্র দুটি, যার একটিও লক্ষ্যে ছিল না। পুরো ম্যাচে স্পেনের পেনাল্টি বক্সে আর্জেন্টিনার স্পর্শ ছিল মাত্র আটবার।

অন্যদিকে স্পেন পুরো ম্যাচে ২০টি শট নেয়, যার ১২টিই ছিল লক্ষ্যে। প্রতিপক্ষের পেনাল্টি বক্সে তাদের বলের স্পর্শ ছিল ৩১ বার। আক্রমণ ও দখলের দিক থেকেও স্পষ্ট আধিপত্য দেখিয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নেয় স্পেন।

gavi

অন্যদিকে, এই পরাজয়ের পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে। আর্জেন্টিনার জার্সিতে তিনি খেলা চালিয়ে যাবেন কি না, সেটিই এখন ফুটবল বিশ্বের অন্যতম বড় প্রশ্ন।

আরএএইচইউএল/আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow