আদালত থেকে বাড়ি ফেরার পথেই প্রাণ গেল দুই বোনসহ ৩ জনের

কক্সবাজারের রামুতে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশায় থাকা ভাই বোনসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তিনজন। তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের স্কুলপাহাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। নিহতদের মধ্যে একজন পুরুষ। তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। নিহত দুই বোন হলেন রুবিনা আক্তার ও শাহিনা আক্তার। তারা উখিয়া উপজেলার হরিণমারা এলাকার বাসিন্দা জাফর আলমের মেয়ে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক একটি মামলার কাজে সকালে কক্সবাজার আদালতে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন দুই বোন। কাজ শেষে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন তারা। পথে উপজেলার খুনিয়াপালংয়ের স্কুলপাহাড় এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর দুই বোনের মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় অটোরিকশাটিতে চালকসহ মোট ছয়জন আরোহী ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল গফুর বলছিলেন, ‘সন্তানদের নিয়ে কোচিংয়ে যাওয়ার পথে আমার চোখের সামনে দুর্

আদালত থেকে বাড়ি ফেরার পথেই প্রাণ গেল দুই বোনসহ ৩ জনের

কক্সবাজারের রামুতে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশায় থাকা ভাই বোনসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তিনজন। তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের স্কুলপাহাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। নিহতদের মধ্যে একজন পুরুষ। তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। নিহত দুই বোন হলেন রুবিনা আক্তার ও শাহিনা আক্তার। তারা উখিয়া উপজেলার হরিণমারা এলাকার বাসিন্দা জাফর আলমের মেয়ে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক একটি মামলার কাজে সকালে কক্সবাজার আদালতে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন দুই বোন। কাজ শেষে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন তারা। পথে উপজেলার খুনিয়াপালংয়ের স্কুলপাহাড় এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর দুই বোনের মৃত্যু হয়।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় অটোরিকশাটিতে চালকসহ মোট ছয়জন আরোহী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল গফুর বলছিলেন, ‘সন্তানদের নিয়ে কোচিংয়ে যাওয়ার পথে আমার চোখের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।’

রামু হাইওয়ে থানার ওসি সুকান্ত চক্রবর্তী জানিয়েছেন, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কাজ করছে হাইওয়ে পুলিশ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow