টোকিও সরকারের ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে ২৬৫ বিয়ে
জাপানে কমে যাওয়া জন্মহার বাড়াতে টোকিও সরকার চালু করা এআই-নির্ভর ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয়ের পর এখন পর্যন্ত ২৬৫টি জুটি বিয়ে করেছেন। সরকারি তথ্যের বরাতে এ খবর জানিয়েছে এএফপি। ‘টোকিও এনমুসুবি’ নামের অ্যাপটি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চালু করা হয়। বিয়েতে আগ্রহী হলেও সঙ্গী খুঁজতে উদ্যোগী নন- এমন মানুষের সংখ্যা বেশি হওয়ায় এই উদ্যোগ নেয় টোকিও সরকার। অ্যাপটিতে নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারীদের অবিবাহিত হওয়ার আইনি প্রমাণ দিতে হয়। এছাড়া অনলাইন সাক্ষাৎকারেও অংশ নিতে হয়, যাতে শুধু বিয়েতে আগ্রহী ব্যক্তিরাই এতে যোগ দিতে পারেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রায় ৩৬ হাজার আবেদন যাচাই-বাছাই করে ১৬ হাজার সদস্যকে অ্যাপে যুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে অ্যাপটির মাধ্যমে পরিচয় হওয়া ৭৬০টি জুটি সম্পর্কে রয়েছেন। এর মধ্যে ২৬৫টি জুটি ইতোমধ্যে বিয়ে করেছেন। সরকার প্রকাশিত তথ্যে ‘টার্টল’ ছদ্মনামের এক নারীর অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়েছে। তিনি জানান, ৪০ বছরে পা দেওয়ার আগে ‘শেষ সুযোগ’ হিসেবে অ্যাপটি ব্যবহার শুরু করেন। কয়েকজনের সঙ্গে পরিচয়ের পর গত বছরের আগস্টের শেষে বর্তমান স্বামীর সঙ্গে তার দেখা হয়। সেপ্টেম্বরে
জাপানে কমে যাওয়া জন্মহার বাড়াতে টোকিও সরকার চালু করা এআই-নির্ভর ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয়ের পর এখন পর্যন্ত ২৬৫টি জুটি বিয়ে করেছেন। সরকারি তথ্যের বরাতে এ খবর জানিয়েছে এএফপি।
‘টোকিও এনমুসুবি’ নামের অ্যাপটি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চালু করা হয়। বিয়েতে আগ্রহী হলেও সঙ্গী খুঁজতে উদ্যোগী নন- এমন মানুষের সংখ্যা বেশি হওয়ায় এই উদ্যোগ নেয় টোকিও সরকার।
অ্যাপটিতে নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারীদের অবিবাহিত হওয়ার আইনি প্রমাণ দিতে হয়। এছাড়া অনলাইন সাক্ষাৎকারেও অংশ নিতে হয়, যাতে শুধু বিয়েতে আগ্রহী ব্যক্তিরাই এতে যোগ দিতে পারেন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রায় ৩৬ হাজার আবেদন যাচাই-বাছাই করে ১৬ হাজার সদস্যকে অ্যাপে যুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে অ্যাপটির মাধ্যমে পরিচয় হওয়া ৭৬০টি জুটি সম্পর্কে রয়েছেন। এর মধ্যে ২৬৫টি জুটি ইতোমধ্যে বিয়ে করেছেন।
সরকার প্রকাশিত তথ্যে ‘টার্টল’ ছদ্মনামের এক নারীর অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়েছে। তিনি জানান, ৪০ বছরে পা দেওয়ার আগে ‘শেষ সুযোগ’ হিসেবে অ্যাপটি ব্যবহার শুরু করেন। কয়েকজনের সঙ্গে পরিচয়ের পর গত বছরের আগস্টের শেষে বর্তমান স্বামীর সঙ্গে তার দেখা হয়। সেপ্টেম্বরে তারা সম্পর্কে জড়ান এবং ডিসেম্বরের শেষ দিকে বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করেন।
এদিকে, জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটিতে জাপানি নাগরিকদের ঘরে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা নেমে এসেছে ৬ লাখ ৭১ হাজার ২৩৬ জনে, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বনিম্ন। টানা দশম বছরের মতো জন্মহার কমেছে। একই বছরে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল প্রায় ১৬ লাখ, যা জন্মের সংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশি। যদিও বিয়ের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, তবে মোট প্রজনন হার কমে ১ দশমিক ১৪-এ নেমে এসেছে।
What's Your Reaction?